হাজী ইয়াছিন মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে-মিজানুর রহমান দিপুর নিন্দা ও প্রতিবাদ

সংবাদটি শেয়ার করুন
0Shares

আলোকিত শীতলক্ষ্যা : সিদ্ধিরগঞ্জের অসহায় গরিব দুঃখী, মাটি ও মানুষের নেতা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী মহিউদ্দিনের স্ত্রী নাসরিন সুলতানার মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, হাজী মিজানুর রহমান দিপু।

সোমবার ৯ নভেম্বর বিকেলে এক সাক্ষাৎকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশ আন্তঃ জেলা ট্রাক চালক ইউনিয়ন সিদ্ধিরগঞ্জ সাইলো শাখার সম্পাদক হাজী মিজানুর রহমান দিপু মিথ্যা অপপ্রচার এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের আশ্বাস দেওয়ায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচার চালায়। সিদ্ধিরগঞ্জে মিজমিজি সাহেবপাড়া কান্দাপাড়া এলাকায় ৪ ভাইয়ের মধ্যে চলমান জমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের আশ্বাস দিলে জমির মালিক মহিউদ্দিনের স্ত্রী নাসরিন সুলতানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক লাইভে মিথ্যা অপপ্রচার চালান।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিজমিজি কান্দাপাড়া এলাকা আফসার উদ্দিন ৩৩ শতাংশ জমি রেখে ২০১৬ সালে মারা যান। আফসার উদ্দিন মারা যাওয়ার পর জমির বন্টন নিয়ে বড় ভাই মহিউদ্দিনের সাথে ছোট ৩ ভাই নাসিরউদ্দীন, নাজিমউদ্দীন ও জিয়াউদ্দীনের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ ঘটনায় আদালতে পাল্টা পাল্টি মামলা হয়েছে। এ জমি নিয়ে বড় ভাই মহিউদ্দিনের সাথে ছোট ৩ ভাইয়ের গত কয়েক দিন যাবত ঝগড়া ও মনমালিন্য চলে আসছিল। পরে শুক্রবার ৬ অক্টোবর ছোট ৩ ভাই তাদের মা তহুরা বেগমকে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করার জন্য সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো: ইয়াছিন মিয়ার দারস্থ হন। পরে তিনি এ বিষয়টি নিয়ে সোমবার ১২ অক্টোবর সার্ভেয়ার নিয়ে স্থানীয় গ্রাম্য মাতাব্বরদের এক সমঝোতা বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের করে দেওয়ার জন্য উভয় পক্ষকে অনুরোধ করেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া বলেন, ৮০ বছরের বৃদ্ধা তহুরা বেগম, তার ৩ ছেলে নাসিরউদ্দীন, নাজিমউদ্দীন ও জিয়াউদ্দীনকে সাথে নিয়ে আমার অফিসে আসেন। বড় ছেলে মহিউদ্দিনের সাথে ছোট ৩ ছেলের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিল। তাদের মায়ের অনুরোধে আমি স্থানীয় গ্রাম্য মাদবরদের এ বিরোধটি সমাধান করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছিলাম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ছেলে মহিউদ্দিন ও তার স্ত্রী মিলে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ষড়যন্ত্র চালায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন
0Shares

আলোকিত শীতলক্ষ্যা

পরিশ্রমকারীব্যক্তি কখনও ব্যর্থ হয়না এগিয়ে যাও সফল হবে।