নাগরিক অধিকার করতে সুরক্ষণ-৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন

সংবাদটি শেয়ার করুন
0Shares

আলোকিত শীতলক্ষ্যা রিপোর্ট : নাগরিক অধিকার করতে সুরক্ষণ, ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন’ প্রতিপাদ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের বাস্তবায়নে জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস-২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে জন্ম সনদ প্রয়োজন। জন্ম ও মৃত্যু সনদের বিকল্প নেই। তদ্রুপ কোন ব্যক্তি মারা গেলেও স্বজনদের মৃত্যু সনদ প্রয়োজন হবে। তাই জন্ম মৃত্যু যেকোন সনদ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। এছাড়া জন্ম ও মৃত্যুর ৪৫দিনের মধ্যে বিনামূল্যে সনদ দিবে সিটি করপোরেশন।

মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর দুপুরে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস-২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কিছু বলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল আমিন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তা শেখ মোস্তফা আলীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান বাবুল সহ সিটি করপোরেশনের ৩৬জন কাউন্সিলরের সচিবরা।

সিও আবুল আমিন বলেন, ‘ব্যাংক হিসাব খোলা, আমদানি ও রপ্তানি লাইসেন্স প্রাপ্তি, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি, ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর প্রাপ্তি, ঠিকাদারী লাইসেন্স প্রাপ্তি, বাড়ি নকশার অনুমোদন প্রাপ্তি, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্তি, ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি, টিকাদান কর্মসূচিসহ যেকোন চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তি, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নিকট থেকে যে কোন সেবা প্রাপ্তি, ওয়ারীশন সনদ প্রাপ্তি, স্কুলে সন্তানদের ভর্তি, মোবাইল সিম কেনা, ছেলে মেয়ে বিয়ে, বিদেশ যাত্রা সহ বিভিন্ন কাছে জন্ম ও মৃত্যু সনদ বাধ্যতামূলক দিতে হবে। এছাড়াও আরো অনেক কাজেই এখন জন্ম সনদ প্রয়োজন হয়। তাই সবাইকে জন্ম ও মৃত্যু সনদ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘৪৫দিনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু সনদের জন্য কোন ফি দিতে হবে না। তারপর থেকে সরকারি নিধারিত খুব কম পরিমান ফি দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যেই সনদ পেয়ে যাবেন। এছাড়াও যেকোন ধরনের সংশোধনও করতে পারবে। এজন্য সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কার্যালয়ে কিংবা আঞ্চলিক অফিসে যোগাযোগ করলেও সহজে সনদ পেতে পারবেন।

কাউন্সিলরদের সচিবদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের মধ্যে জন্মসনদ করার আগ্রহ বাড়তে হবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে। মানুষের মধ্যে প্রচার প্রচারণা করতে হবে। যাতে সবাই জন্ম ও মৃত্যু সনদ করে ফেলে। এজন্য সব ধরনের সহযোগিতা করবেন।

শেখ মোস্তফা আলী বলেন, ‘জন্ম বা মৃত্যু সনদের এখন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে প্রয়োজন হয়। আর তখন এর জন্য এদিক ওদিক দৌড়ঝাপ শুরু করেন। তাই আগে থেকেই আপনার সন্তানের কিংবা মৃত স্বজনের সনদ করিয়ে নেন। এ সনদ জীবনের শুরু থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রয়োজন। এখন থেকে বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার সময় সন্তানের জন্ম সনদ দেখাতে হবে। সরকার সেই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। বাধ্যতামূলক সকলের কাছে জন্মসনদ থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আগে অনেকেই জন্ম বা মৃত্যু সনদ করতেন না। কারণ টাকা, কাগজপত্র সহ অনুসাঙ্গিক জটিলতার জন্য। কিন্তু এখন সরকার খুব সহজ করেছে। জন্ম ও মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে সনদ করতে চাইলে কোন টাকা লাগবে না। এর পর হলেও খুব কম খরচে করা যাবে। তাছাড়া যেকোন ভুল ত্রুটিও দ্রুত সমাধান করা যায়। তাই এগুলো নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। জন্ম সনদের জন্য যথাযথ কাগজপত্র দিলে সাত দিনের মধ্যে সনদ দেওয়া যাবে। আমরা চাই একটি মানুষও যেন তার জন্ম ও মৃতু সনদ থেকে বঞ্চিত না হয়। এটা তাদের নাগরিক অধিকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন
0Shares

আলোকিত শীতলক্ষ্যা

পরিশ্রমকারীব্যক্তি কখনও ব্যর্থ হয়না এগিয়ে যাও সফল হবে।